ব্রাউজার খোলার ঝামেলা নেই, স্লো লোডিং নেই। 999bad অ্যাপে লগইন থেকে বাজি পর্যন্ত সব কাজ হয় মাত্র কয়েক সেকেন্ডে।
মোবাইলে গেমিং এখন আর শুধু শখের বিষয় নয়, অনেকের কাছে এটা একটা নিয়মিত বিনোদনের মাধ্যম। 999bad সেটা বুঝেই তাদের অ্যাপটা তৈরি করেছে – যাতে যেকোনো পরিস্থিতিতে, যেকোনো জায়গা থেকে, স্বাচ্ছন্দ্যে খেলা যায়। বরিশালের কোনো চরে বসে হোক বা ময়মনসিংহের কোনো চায়ের দোকানে – 999bad অ্যাপ সব জায়গায় কাজ করে।
অ্যাপটার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর সাইজ। মাত্র ২৪ মেগাবাইটের একটা অ্যাপ যে এতকিছু করতে পারে সেটা সত্যিই অবাক করার মতো। অনেকের ফোনে জায়গা কম থাকে, সেই ভাবনা মাথায় রেখেই ডেভেলপাররা অ্যাপটাকে ছোট রেখেছেন – কিন্তু ফিচার কমাননি।
গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক বা টেলিটক – যেকোনো অপারেটরে 999bad অ্যাপ চালু হয়। এমনকি ৩G নেটওয়ার্কেও লাইভ বেটিং এবং ক্যাসিনো গেম খেলা যায় কোনো রকম ল্যাগ ছাড়াই। এর পেছনে রয়েছে অ্যাপের স্মার্ট ক্যাশিং সিস্টেম, যেটা আগে থেকেই প্রয়োজনীয় ডেটা লোড করে রাখে।
যখন নেটওয়ার্ক একটু দুর্বল থাকে তখন অ্যাপ নিজে থেকে ডেটা সেভার মোডে চলে যায়। ছবি ও অ্যানিমেশন কমিয়ে শুধু দরকারি তথ্য দেখায় – ফলে বাজি ধরতে কোনো সমস্যা হয় না।
অনলাইনে টাকার লেনদেন মানেই নিরাপত্তার প্রশ্ন আসে। 999bad এই বিষয়টাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়। অ্যাপে প্রতিটি লেনদেন ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। এছাড়া দুই স্তরের যাচাইকরণ ব্যবস্থা আছে – শুধু পাসওয়ার্ড নয়, ফোন নম্বরেও OTP যায়।
বায়োমেট্রিক লগইন ফিচারটা বিশেষভাবে কাজের। আজকাল অনেক ফোনেই আঙুলের ছাপ স্ক্যানার আছে – সেটা ব্যবহার করে মাত্র এক সেকেন্ডে লগইন করা যায়। পাসওয়ার্ড টাইপ করার ঝামেলা নেই, আর কেউ দেখলেও পাসওয়ার্ড জানতে পারবে না।
Google Play Store-এ না থাকলেও 999bad অ্যাপ নিজে থেকেই আপডেট চেক করে। অ্যাপ খোলার সময় নতুন আপডেট থাকলে একটা ছোট নোটিফিকেশন আসে। ট্যাপ করলেই নতুন ভার্সন ডাউনলোড হয়ে ইনস্টল হয়ে যায়। আলাদা করে ওয়েবসাইটে যেতে হয় না।
প্রতিটি আপডেটে নতুন ফিচার যোগ হয় এবং যেকোনো বাগ ঠিক করা হয়। 999bad-এর টেক টিম বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাকের উপর ভিত্তি করে নিয়মিত উন্নতি করছে।